Monday, September 16, 2019

নুরুল আবছারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও স্ট্যাম্প উদ্ধারের পৃথক মামলা দায়ের।



চট্টগ্রাম অফিস:
অপহরণ ও স্ট্যাম্প উদ্ধারের পৃথক পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক, গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর রবিবার  দক্ষিণ পতেঙ্গা গ্রামের বদিউল আলমের সন্তান নুরুল আবছারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অপহরণ এবং স্ট্যাম্প উদ্ধারের মামলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মহানগরে চট্টগ্রামে এই দুইটি মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং- ১২৫৫ এবং ১৫২। বাকি অন্য ছয়জন হলেন নাজির পাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের পুত্র মোঃ মুন্না,মৃত তোফায়েল আহম্মদ এর পুত্র রফিক, মৃত মোঃ হাসান এর পুত্র আব্দুল্লাহ আল মারুফ, পদ্মা কলোনী গ্রামের সন্তান রিমন, জিয়াউর করিমের পুত্র সাজিউল করিম সাজিব, দক্ষিণ পতেঙ্গা গ্রামের মৃত মোঃ হাসানের পুত্র মোঃ ইসমাইল
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক বলেন, গত ১২/০৯/২০১৯ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১১:২০ ঘটিকার সময় ইউএস বাংলা বিমানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য যাওয়ার পথে বিমান বন্দরে পৌঁছালে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হতে ফোন করে বলে যে, বিমান বন্দর এমিগ্রেশন হতে বাহিরে আসার জন্য বলে। আমি তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে এমিগ্রেশন হতে বাহির হয়ে ইয়ারপোর্টের চেক পোষ্টে আসি এবং ঐ সময় অজ্ঞাত ০২ জন লোক আমাকে ইয়ারপোর্ট হতে একটি মোটর সাইকেল করে পতেঙ্গা সিভিজ আবাসিক হোটেল কাছে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে ঐখানে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি উপস্থিত হয় যেখানে সেই ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল আবছার যে কিনা পূর্বে জের ধরে আমাকে অবৈধভাবে জোরপূর্বক উক্ত হোটেলে আটকে রাখে। ঐ সময় তার সাথে এক পর্যায়ে আমার কথাকাটা কাটি হলে সে ২ থেকে ৩ ঘন্টা পযর্ন্ত আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। সুকৌশলে পুনরায় আমাকে গাড়িযোগে নুরুল আবছারে বাসায় নিয়ে যায় এবং সে আমাকে সেখানে গৃহবন্দী করে মুক্তিপন দাবি করে। তাহার উক্ত দাবি গ্রহন না করলে তাহলে আমাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলারসহ বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।
এক পর্যায়ে সে জোরপূর্বক আমার নিকট হতে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের মাধ্যমে স্বাক্ষর নেয় এবং ধারালো অস্ত্রসস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক শোফায় বসাইয়া আমার মুখ থেকে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা স্বীকারোক্তি মোবাইলে ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে। জীবনের নিরাপত্তা কথা ভেবে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় করি আমি।

Friday, July 19, 2019

পুলিশ কনস্টেবল আরিফ এখন কোটিপতি, দুদক'কে নজর দিতে জোর দাবি স্থানীয়দের।


চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা হাটহাজারী মডেল থানার কনস্টেবলে আরিফের বিভিন্ন ভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগে পাওয়া যায় কনস্টেবল আরিফ অনেকের বিরুদ্ধে সুনিদির্ষ্ট অভিযোগ না থাকলেও বিভিন্ন নাশকতার সৃষ্টিসহ নানা অভিযোগ দেখিয়ে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে এবং হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

জানা যায় গ্রেফতার বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ অবৈধভাবে আয় করতে পুলিশ বাহিনীরা বিভিন্ন স্তরের শতাধিক সদস্য।কনস্টেবল থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার পযন্ত ওই টাকা ভাগ বাটোয়ার হয়।এই রকমের সব চেয়ে বেশি অভিযোগ রইছে হাটহাজারী মডেল থানার কনস্টেবল মো.আরিফের নামে বিভিন্ন কয়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক অনেক টাকা যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

গুপোন সংবাদের বিত্তিতে জানা যায়,কনস্টেবল আরিফ পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনেক টাকা বানিয়েছেন গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়।চার পাঁচটা সি এন জি বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় দালান ও বেশ কিছু জমি জমা করে রেখেছেন সেই সাথে অন্যের নামে ব্যাংকে একাউন্টে জমিয়ে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা।

শুধু তাই নয় রইয়েছে তার নামে বিয়ে করার পর ও বিভিন্ন মেয়েদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে রেখেছেন তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মেয়েদের সাথে অবৈদ সম্পর্ক করেন বলে জানা যায়।এবং সেই সাথে বিভিন্ন মানুষকে টাকা দিয়ে মেলা অংকের সুদ নেন তিনি।হাটহাজারী সচেতন মহলের নাগরিকদের অভিযোগ কনস্টেবল মো.আরিফের বিরুদ্ধে যেন নজর দেয় এত টাকা কোথা থেকে আসে কোথায় তার আয়ের উৎস একটু সুদৃষ্টি দিয়ে দেখার জন্য এবং তার বিরুদ্ধে যেন তদন্ত করা হয় এটায় দাবি হাটহাজারী বাসীর।

একজন কনস্টেবল হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গড়েছেন টাকার পাহাড়,সেই সাথে অবৈধ মেলামেশা মেয়েদের সাথে কি করে সম্ভব একজন পুলিশ হয়ে।কনস্টেবল আরিফ কি করে হটাৎ এত টাকার মালিক হলেন কোথায় তার এত আয়ের উৎস কি করে রাতারাতি টাকার পাহাড় গড়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন সাধারন জনগনের।একজন পুলিশ হয়ে যদি অবৈধ কাজ করে তাহলে সাধারন জনতা কয় জাবে কার কাছে গিয়ে আশ্রয় নিবে সে প্রশ্ন অনেকেরই।

বর্তমান সরকার গোয়েন্দা রিপোর্টে সারা দেশে একশর ও বেশি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ কারা হয়েছে তবে এখন পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
সাধারন জনগন মনে করেন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত পুলিশ বাহিনী নিজেরাই করলে সেই তদন্তের পরিণতি নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Monday, July 15, 2019

মহেশখালীতে গণ ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের হণ্য হয়ে খোঁজছে পুলিশ।

ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, সিনিয়র রিপোর্টার:

একে একে ১৪ জন বখাটের হাতে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া চালিয়াতলী পাহাড়ে এক তরুণী গণ ধর্ষণের ঘটনাটি ইতিমধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে । গত শুক্রবার রাত ১১ টার সময় ধর্ষণের মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে মহেশখালী থানা পুলিশ অভিযুক্তদের হণ্য হয়ে খোঁজতে গতকাল রবিবারও  বিভিন্ন স্পর্টে অভিযান চালিয়েছেন। মামলাটি বাদি ধর্ষিতা যুবতী নিজে।
জানাগেছে, উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চালিয়াতলীতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর তরুণী গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ওই এলাকার মেম্বার লিয়াকত আলী, মহিলা মেম্বার খদিজা বেগমসহ মনু মিয়া ও বাঘা নামে এক ধর্ষক।
এরা গ্রেফতার হলে পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে গেছে অপরাপর আসামীরা।
মেম্বার দুইজনই মামলার এজাহার নামীয় আসামী হয়েছেন। কিন্তু ধামাচাপা চেষ্টার মূলহোতা মাতারবাড়ি সড়কের লাইনম্যান রশিদ এখনো গ্রেফতার হয়নি। এমনকি মামলা আসামী হয়নি।  এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাই নানা প্রতিক্রিয়া চলছে সর্বত্র। বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, চাঞ্চল্যকর এই গণধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মূল ভূমিকায় নেমেছিল লাইম্যান রশিদ। তিনি ধর্ষকদের পক্ষ হয়ে ধামাচাপার মিশন নিয়ে নেমেছিলেন। খোদ গ্রেফতার মেম্বার লিয়াকত আলীও বিষয়টি এই প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানিয়ে ছিলেন- ধর্ষকদের বাঁচাতে দৌড়ঝাঁপ করেছিল লাইনম্যান রশিদ। তথ্য মতে, ধর্ষকেরা অধিকাংশই সিএনজি চালক। আর রশিদ হচ্ছে তাদের লাইনম্যান। অন্যদিকে রশিদের বাড়ি মাতারবাড়ি। সে সূত্রে ধর্ষিতার কথিত মা শামীমার পূর্ব পরিচিত ছিলো এই রশিদ। সে কারণে ধর্ষকেরা ঘটনাটি মীমাংসের জন্য রশিদের শরণাপন্ন হয়েছিল। সেই সাথে ছিলো মোটা অংকের টাকা লেনদেন। দুই-ই মিলিয়ে রশিদ ঘটনাটি মীমাংসার জন্য ধর্ষণের শিকার মেয়েটির কথিত মা মাতারবাড়ির মেম্বার শামীমা, চালিয়াতলীর মেম্বার লিয়াকত আলী এবং খদিজা বেগমের শরণাপন্ন হন। রশিদ মীমাংসার জন্য নানা কৌশলে সবাইকে বশেও এনেছিলেন। রশিদের মাধ্যমে ম্যানেজ হয়ে মেম্বার লিয়াকত আলী ও মহিলার মেম্বার খতিজা বেগম ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা শুরু করেন।

সে মোতাবেক মেম্বার লিয়াকত আলীর অফিসে দুই দফা বিচার বৈঠক হয়। বৈঠকে মীমাংসা প্রায় হয়েছিল। কিন্ত জরিমানার অংক নিয়ে মীমাংসা চূড়ান্ত হয়নি। তবে এর মধ্যে শুক্রবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে ভেস্তে যায় তাদের ধামাচাপার মিশন। তবে জনমনে প্রশ্ম হল এই যে ধর্ষকদের পক্ষ হয়ে মধ্যস্থায়কারী ও ঘটনা দামাচাপা দেওয়ার মুল হোতা রশিদকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ছেড়ে দিল কেন। কলেজ পড়ুয়া ছাত্র কাব্য সৌরভ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইনে লিখেছেন,মহেশখালীতে ১৪ জন কর্তৃক নারী গণধর্ষণের মূলহোতা মাতারবাড়ীর সিএনজির লাইনম্যান রশিদ। এর নাকি প্রচুর ক্ষমতা। তাঁর অনুমতি ছাড়া নাকি মাতারবাড়ী প্রবেশ নিষেধ, তার বিরুদ্ধে আরো অনেক নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। সরকারী কর্মকর্তা রকিয়ত উল্লাহ তার ফেসবুকে লিখেছেন,১৪ ধর্ষণের ঘটনায় মুলহুতা ও নির্দেশদাতা লাইনম্যান রশিদ। সাংবাদিক শাহেদ মিজানের ধর্ষণের বিষয়ে নিয়ে প্রতিবেদনে কমেন্ট করেছেন, লাইনম্যান কি মামলা থেকে খালাস! এদিকে পুলিশ ওই ইউপি মেম্বারদ্বয়সহ ১ জন ধর্ষককেও গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। তাদের সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এই ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সোস্যল মিড়িয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদের ঝড় উঠে সবখানে। তনক নড়ে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে। এদিকে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় মামলায় মেম্বার লিয়াকত আলী ও খদিজা বেগম আসামী এবং গ্রেফতার হলেও রশিদ আসামী না হওয়ায় অনেকে বিষয়টি রহস্যজনক মনে করছে। সাধারণ মানুষ মনে করছে। অন্যদিকে শামীমার সাথে আঁতাত করে লাইনম্যান রশিদও পার পেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ধামাচাপার চেষ্টার মূলহোতা এই দুইজনই। কথিত আছে, মীমাংসার প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলেন রশিদ তার  দেনদরবার করেছিলো তিনি। অভিযোগ উঠেছে, এখন রশিদের যোগসাজস রয়েছে। শামীমার কারণেই লাইনম্যান রশিদ পার পেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। অভিযুক্ত দুই মেম্বার আসামী ও গ্রেফতার হলেও  লাইনম্যান রশিদ পার পেয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে সেখানে। রশিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্ট থাকায় তাকে গ্রেফাতার করার দাবি উঠেছে সর্বমহলে। এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, ‘ভিকটিম ও তার পালিত মা শামীমার জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার এজাহার হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতও রয়েছে। তাই তদন্তে আর কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’ তথ্য মতে, গত ৭ জুলাই রাতে ওই তরুণী চট্টগ্রামের কর্মস্থল থেকে নানার বাড়ি মাতারবাড়ি আসার পথে তাকে পাহাড়ে তুলে ধর্ষণ করে নলবিলার আমির সালাম, এনিয়া, সিএনজি চালক আদালত খাঁ ও ওসমান গণিসহ ১৪জন। কিন্তু এই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে মিশন নিয়ে নামে মাতারবাড়ির সড়কের সিএনজি লাইনম্যান রশিদ ও স্থানীয় মেম্বার লিয়াকত আলীসহ একটি চক্র। তবে শুক্রবার ঘটনাটির খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিকালে মাতারবাড়ি থেকে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে। এদিকে মহেশখালী থানা পুলিশ গতকাল ধর্ষিতা তরুণীকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার পর আবার দ্বীপের থানায় নিয়ে গেছেন। তরুণীর সঙ্গে রয়েছেন মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়ি ইউনিয়নের শামীমা বেগম নামের আরেক নারী ইউপি মেম্বার।