চট্টগ্রাম অফিস:
অপহরণ ও স্ট্যাম্প উদ্ধারের পৃথক পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক, গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর রবিবার দক্ষিণ পতেঙ্গা গ্রামের বদিউল আলমের সন্তান নুরুল আবছারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অপহরণ এবং স্ট্যাম্প উদ্ধারের মামলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মহানগরে চট্টগ্রামে এই দুইটি মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং- ১২৫৫ এবং ১৫২। বাকি অন্য ছয়জন হলেন নাজির পাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের পুত্র মোঃ মুন্না,মৃত তোফায়েল আহম্মদ এর পুত্র রফিক, মৃত মোঃ হাসান এর পুত্র আব্দুল্লাহ আল মারুফ, পদ্মা কলোনী গ্রামের সন্তান রিমন, জিয়াউর করিমের পুত্র সাজিউল করিম সাজিব, দক্ষিণ পতেঙ্গা গ্রামের মৃত মোঃ হাসানের পুত্র মোঃ ইসমাইল
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক বলেন, গত ১২/০৯/২০১৯ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১১:২০ ঘটিকার সময় ইউএস বাংলা বিমানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য যাওয়ার পথে বিমান বন্দরে পৌঁছালে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হতে ফোন করে বলে যে, বিমান বন্দর এমিগ্রেশন হতে বাহিরে আসার জন্য বলে। আমি তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে এমিগ্রেশন হতে বাহির হয়ে ইয়ারপোর্টের চেক পোষ্টে আসি এবং ঐ সময় অজ্ঞাত ০২ জন লোক আমাকে ইয়ারপোর্ট হতে একটি মোটর সাইকেল করে পতেঙ্গা সিভিজ আবাসিক হোটেল কাছে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে ঐখানে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি উপস্থিত হয় যেখানে সেই ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল আবছার যে কিনা পূর্বে জের ধরে আমাকে অবৈধভাবে জোরপূর্বক উক্ত হোটেলে আটকে রাখে। ঐ সময় তার সাথে এক পর্যায়ে আমার কথাকাটা কাটি হলে সে ২ থেকে ৩ ঘন্টা পযর্ন্ত আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। সুকৌশলে পুনরায় আমাকে গাড়িযোগে নুরুল আবছারে বাসায় নিয়ে যায় এবং সে আমাকে সেখানে গৃহবন্দী করে মুক্তিপন দাবি করে। তাহার উক্ত দাবি গ্রহন না করলে তাহলে আমাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলারসহ বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।
এক পর্যায়ে সে জোরপূর্বক আমার নিকট হতে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের মাধ্যমে স্বাক্ষর নেয় এবং ধারালো অস্ত্রসস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক শোফায় বসাইয়া আমার মুখ থেকে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা স্বীকারোক্তি মোবাইলে ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে। জীবনের নিরাপত্তা কথা ভেবে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় করি আমি।
